Showing posts with label অনুভূতি. Show all posts
Showing posts with label অনুভূতি. Show all posts

Thursday, March 26, 2009

কি দেখার কথা কি দেখছি? (আমার সংস্করন)

(ভূমিকাঃ হায়দার হুসাইনের "৩০ বছর" গানটির সমতূল্য কিছু করার দুঃসাহস এই অধমের নেই। তবু সাম্প্রতিক বিডিআর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঐ গানটির কথায় একটু পরিবর্তন এনে কিছু একটা লেখার চেষ্টা করেছি, আজকের মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে)

কি দেখার কথা কি দেখছি?
কি শোনার কথা কি শুনছি?
কি ভাবার কথা কি ভাবছি?
কি বলার কথা কি বলছি?
৩৮ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি ।।

Friday, March 20, 2009

আমার পনেরো টাকা খেয়ে কি সে বড়লোক হবে?

গতকাল সন্ধ্যা। অফিস শেষে বাসায় ফিরছি। আমার বাসাটা একটু পাহাড়ি জায়গাতে হওয়ায় সাধারনতঃ এই সময়ে রিকশা পেতে একটু কষ্ট হয়। তবুও দু'একজন ফিরিয়ে দেয়ার পর এক মধ্যবয়েসী রিকশাওয়ালা রাজি হলো। ভাড়া একটু বেশি চাইলেও তাতেই চড়ে বসলাম।
সারাদিন কাজের চাপে কোনোদিকে তাকানোর সুযোগ হয়না। তাই এই রিকশা করে বাসায় ফেরার মুহূর্তটাকে একটু উপভোগ করার চেষ্টায় থাকি সবসময়। প্রতিদিনের মতো বিল্ডিং এর ভীড়ে আকাশটা হারিয়ে যাচ্ছে বলে দুঃখ করছিলাম আর সদ্য গড়ে ওঠা অসম্ভব সুন্দর সিডিএ মসজিদটির দিকে তাকিয়ে ভাবছিলাম, এইখানে একদিন নামায পড়তে আসতে হবে।
এমন সময় রিকশাওয়ালা হঠাৎ বলে উঠলেন "আমার পনেরো টাকায় কি সে বড়লোক হবে?"

Friday, October 31, 2008

দু'দিনের ভিসা

[চাচার সাথে পরিচয়টা হয়েছে অফিশিয়াল কারনেই। উনি আমাদের অফিসের একটি কাজ করে দিয়েছিলেন গত জুলাইয়ে। কাজটা গোছানোর দায়িত্ব আবার দেয়া হয়ছিল আমার মত একেবারেই আনাড়ি পুচকাকে-তখনো কেবল এক মাস হলো আমি ঢুকেছি ঐ অফিসে। আমি তো উনার পরিচয় পেয়েই ভয়ে অস্থির। পরে সব ঠিকঠাক মতো হল, আর বোনাস হিসেবে এমন চমৎকার একজন মানুষের সাথে ব্যক্তিগত পরিচয়টাও হয়ে গেল। উনি অবশ্য চাচা হয়ে উঠেছেন আরো পরে, যোগাযোগটা অব্যাহত ছিল বলেই।
ওনার ব্লগের এই পোস্টটা পড়ে ভীষন অবাক হয়েছিলাম, আমার নিজের শহরে এমন নৃশংস ঘটনা নিত্যদিন ঘটে যাচ্ছে জেনে। তখনই সিদ্ধান্ত নিলাম অনুবাদ করে আমার ব্লগে দিব। অনুমতিও মিলল চাইতেই। তবে ম্যালাদিন হয়ে গেল, লিখব লিখছি করে লিখা হয়ে উঠেনি।
আজ বহুদিন পর ভাবলাম, এখনই সময়। চুম্বক অংশটা মেইলে ছিল, ঐটাই অনুবাদ করেছি। বাকিটা পড়ে নেয়ার দায়িত্ব পাঠকের হাতে তুলে দিলাম।]
ওদের গানের সুর ভেসে আসে। হৃদয়ছোঁয়া সুরে সহজ-সরল জীবনের গান। সুরেলা গান আর নৃত্যের ছন্দময়তার সাথে পা ফেলে ওরা এগিয়ে যায়, গমনপথে মিথ্যে সৌন্দর্য্যের পদচ্ছ্বাপ ফেলে।বুঝতে দিতে চায়না কাধেঁর ওপর বয়ে চলা ধাতব পাতের ভর পৃথিবীসম।
ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বর্জ্য ধাতুর ওপর কাদার কারুকাজ। তার ওপর খালি পা ফেলে ফেলে যাওয়া; “বিপজ্জনক শব্দের এর চেয়ে ভাল উদাহরণ কমই হয়। তার ওপর যদি হয় বৃষ্টি, তবে তো কথাই নেই। একটু পিছলে পড়া মানে যে কত বড় ক্ষতির আশংকা, ভাবতেই গা শিউরে ঠে!
তবুও, সাবধানি পা ফেলে তাদের পথচলা থেমে নেই। থেমে নেই গান গাওয়াও- এ যেন মৃত্যুর গান, অবিরাম মৃত্যুর পথে হেটে চলার সংগ্রামের গান।

Thursday, October 23, 2008

আজ ঘুম ভাঙ্গাতে কে যে ডাকে ইশারায়...

কতোদিন হলো? এক মাস? নাকি আরো বেশি?
হতে পারে। এমন প্রায়শঃই হয়ে থাকে। কখনও মাস-কিংবা বছরের জন্য- ইচ্ছেটা একদম মরে থাকে। মরে থাকে বললে একটু ভুল হবে, বলি ঘুমিয়ে থাকে- কুম্ভকর্ণের মতো।
লেখার ইচ্ছের কথা বলছিলাম।
অনেকদিন কিছু লেখা হয়না, মানে লিখতে ইচ্ছেই করেনা। ব্যাঙএর মতো একবার নয়, বছরে কয়েকবার হাইবার্নেশনে যাওয়া আমার এই ইচ্ছেটার নিত্য অভ্যাস।
এ কয়েক বছরের ব্লগ জীবনে এমনটা অনেকবারই হয়েছে।

ঈদের ব্যস্ততার পর অনেকটা দিনই তো চলে গেল। একবার ভেবেছিলাম বাড়িতে গিয়ে বয়সটা কিভাবে দশ বছর কমে গেল, আর সেই পিচ্চিকালের মত কত্ত মজাই না করলাম, তা নিয়ে ঈদের ছুটি শেষ হতেই লিখব।

তার আর সময় হলো কই। ছুটি শেষ তো বয়সটাও কিছু টের পাওয়ার আগেই এক লাফে বেড়ে গেল। দ্রব্যমূল্যের মত- বাড়তে গেলে একটু বেশিই বাড়ে- কমেছিল দশ, কিন্তু বাড়ল পনের। বয়স বাড়ার সাথে বাড়ল রোগ বালাই- ব্লগ আর লেখালেখিতে একদম এলার্জি ধরে গেল দেখি!- একে কি ডায়াবেটিস বলা যায়? লেখালেখি বুঝি মিষ্টি জাতীয় কিছু!!

Wednesday, September 17, 2008

জীবন মানে কি একটি অসম্পূর্ণ জিগস' পাজল?

এই দুদিনের পান্থশালায় আবির্ভূত হয়েছিলাম পরিবারের অষ্টম সদস্য হয়ে! অর্থাত আমাকে দিয়েই ভাইবোনদের সংখ্যা এক হাতে গুনার দিন শেষ হলো। শেষ প্রান্তে যখন যোগ হলাম, তখন ও প্রান্তের বড় জন স্কুলের গন্ডির শেষ প্রান্তে। এর পরের বোনেরা হয়তো তখন বেণি দুলানোর দিন পার করে দিয়েছেন। পরের ভাইটা কেবল তখন গণনা শিখছে-আমাকে দিয়ে ভাই বোনদের সংখা সমান সমান হওয়াতে ও নাকি খুব খুশি হয়েছিল। এর পরের ভাইটা অবশ্য তখনও কেবল পন্ডিত বাবু হয়ে উঠছে-যে বয়সে সব বাবুরাই তা হয়, ওর ও তখন সেই বয়স।

এত্তো ভাইবোনের আড়ালে তাই বেড়ে উঠাটা দুঃখের চেয়ে আনন্দের বেশি ছিল। খেলার সাথীর যেমন কখনো অভাব হয়নি, তেমনি হয়নি রাংগা চোখেরও...।

দেখতে দেখতে সময় চলে যায়- সময়ের "আপন গতি" যে কখনও স্রোতস্বিনী নদী কিংবা নায়াগ্রা ফলসকেও হার মানায়, তা সময় চলে না গেলে বুঝার উপায় নেই।

Thursday, September 11, 2008

রমজানঃ মাসটা কি "ফাস্টিং" এর, নাকি "ফীস্টিং" এর ?

বছর ঘুরে প্রতিবারের মত আবারো রমজান এলো। শুধু এলোই না- আসছি আসলাম করে এক তৃতীয়াংশ পারও করে দিল।

রমজান আসলেই চার দিকে একটি পরিবর্তন ঘটে যায়- লক্ষ্য করতে না চাইলেও চোখে যেন আপনা আপনিই ধরা দেয়- তাই এড়িয়ে যাওয়া যায় না-
অফিস আদালতের পরিবর্তিত সময়টা চোখে ঠিক সেভাবে না পড়লেও ধরা পড়ে রাস্তার ট্রাফিক জ্যামের পরিবর্তিত এবং সুনির্ধারিত সময়।
মানুষের রোজা রাখা ক্লান্তভাব তেমন ভাবে চোখে না পড়লেও চোখে পড়তে বাধ্য হোটেল রেস্তোরাগুলোর অকস্মাত "হিজাব" অবলম্বন আর হিন্দু হোটেলের আধিক্য।
টিভির সংবাদ পাঠিকাদের মাথায় অতি কষ্টে উঠে যাওয়া আঁচলখানির কথা আর নাই বা বললাম।