Showing posts with label মন ভালো নেই. Show all posts
Showing posts with label মন ভালো নেই. Show all posts

Friday, March 20, 2009

আমার পনেরো টাকা খেয়ে কি সে বড়লোক হবে?

গতকাল সন্ধ্যা। অফিস শেষে বাসায় ফিরছি। আমার বাসাটা একটু পাহাড়ি জায়গাতে হওয়ায় সাধারনতঃ এই সময়ে রিকশা পেতে একটু কষ্ট হয়। তবুও দু'একজন ফিরিয়ে দেয়ার পর এক মধ্যবয়েসী রিকশাওয়ালা রাজি হলো। ভাড়া একটু বেশি চাইলেও তাতেই চড়ে বসলাম।
সারাদিন কাজের চাপে কোনোদিকে তাকানোর সুযোগ হয়না। তাই এই রিকশা করে বাসায় ফেরার মুহূর্তটাকে একটু উপভোগ করার চেষ্টায় থাকি সবসময়। প্রতিদিনের মতো বিল্ডিং এর ভীড়ে আকাশটা হারিয়ে যাচ্ছে বলে দুঃখ করছিলাম আর সদ্য গড়ে ওঠা অসম্ভব সুন্দর সিডিএ মসজিদটির দিকে তাকিয়ে ভাবছিলাম, এইখানে একদিন নামায পড়তে আসতে হবে।
এমন সময় রিকশাওয়ালা হঠাৎ বলে উঠলেন "আমার পনেরো টাকায় কি সে বড়লোক হবে?"

Friday, October 31, 2008

দু'দিনের ভিসা

[চাচার সাথে পরিচয়টা হয়েছে অফিশিয়াল কারনেই। উনি আমাদের অফিসের একটি কাজ করে দিয়েছিলেন গত জুলাইয়ে। কাজটা গোছানোর দায়িত্ব আবার দেয়া হয়ছিল আমার মত একেবারেই আনাড়ি পুচকাকে-তখনো কেবল এক মাস হলো আমি ঢুকেছি ঐ অফিসে। আমি তো উনার পরিচয় পেয়েই ভয়ে অস্থির। পরে সব ঠিকঠাক মতো হল, আর বোনাস হিসেবে এমন চমৎকার একজন মানুষের সাথে ব্যক্তিগত পরিচয়টাও হয়ে গেল। উনি অবশ্য চাচা হয়ে উঠেছেন আরো পরে, যোগাযোগটা অব্যাহত ছিল বলেই।
ওনার ব্লগের এই পোস্টটা পড়ে ভীষন অবাক হয়েছিলাম, আমার নিজের শহরে এমন নৃশংস ঘটনা নিত্যদিন ঘটে যাচ্ছে জেনে। তখনই সিদ্ধান্ত নিলাম অনুবাদ করে আমার ব্লগে দিব। অনুমতিও মিলল চাইতেই। তবে ম্যালাদিন হয়ে গেল, লিখব লিখছি করে লিখা হয়ে উঠেনি।
আজ বহুদিন পর ভাবলাম, এখনই সময়। চুম্বক অংশটা মেইলে ছিল, ঐটাই অনুবাদ করেছি। বাকিটা পড়ে নেয়ার দায়িত্ব পাঠকের হাতে তুলে দিলাম।]
ওদের গানের সুর ভেসে আসে। হৃদয়ছোঁয়া সুরে সহজ-সরল জীবনের গান। সুরেলা গান আর নৃত্যের ছন্দময়তার সাথে পা ফেলে ওরা এগিয়ে যায়, গমনপথে মিথ্যে সৌন্দর্য্যের পদচ্ছ্বাপ ফেলে।বুঝতে দিতে চায়না কাধেঁর ওপর বয়ে চলা ধাতব পাতের ভর পৃথিবীসম।
ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বর্জ্য ধাতুর ওপর কাদার কারুকাজ। তার ওপর খালি পা ফেলে ফেলে যাওয়া; “বিপজ্জনক শব্দের এর চেয়ে ভাল উদাহরণ কমই হয়। তার ওপর যদি হয় বৃষ্টি, তবে তো কথাই নেই। একটু পিছলে পড়া মানে যে কত বড় ক্ষতির আশংকা, ভাবতেই গা শিউরে ঠে!
তবুও, সাবধানি পা ফেলে তাদের পথচলা থেমে নেই। থেমে নেই গান গাওয়াও- এ যেন মৃত্যুর গান, অবিরাম মৃত্যুর পথে হেটে চলার সংগ্রামের গান।

Wednesday, September 17, 2008

জীবন মানে কি একটি অসম্পূর্ণ জিগস' পাজল?

এই দুদিনের পান্থশালায় আবির্ভূত হয়েছিলাম পরিবারের অষ্টম সদস্য হয়ে! অর্থাত আমাকে দিয়েই ভাইবোনদের সংখ্যা এক হাতে গুনার দিন শেষ হলো। শেষ প্রান্তে যখন যোগ হলাম, তখন ও প্রান্তের বড় জন স্কুলের গন্ডির শেষ প্রান্তে। এর পরের বোনেরা হয়তো তখন বেণি দুলানোর দিন পার করে দিয়েছেন। পরের ভাইটা কেবল তখন গণনা শিখছে-আমাকে দিয়ে ভাই বোনদের সংখা সমান সমান হওয়াতে ও নাকি খুব খুশি হয়েছিল। এর পরের ভাইটা অবশ্য তখনও কেবল পন্ডিত বাবু হয়ে উঠছে-যে বয়সে সব বাবুরাই তা হয়, ওর ও তখন সেই বয়স।

এত্তো ভাইবোনের আড়ালে তাই বেড়ে উঠাটা দুঃখের চেয়ে আনন্দের বেশি ছিল। খেলার সাথীর যেমন কখনো অভাব হয়নি, তেমনি হয়নি রাংগা চোখেরও...।

দেখতে দেখতে সময় চলে যায়- সময়ের "আপন গতি" যে কখনও স্রোতস্বিনী নদী কিংবা নায়াগ্রা ফলসকেও হার মানায়, তা সময় চলে না গেলে বুঝার উপায় নেই।